নিজস্ব সংবাদদাতা : যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম শহরে আবর্জনা সংগ্রহকারীদের লাগাতার ধর্মঘটের কারণে রাস্তায় প্রায় ১৭,০০০ টন আবর্জনা জমে গেছে। জনস্বাস্থ্য সংকট এড়াতে শহর কর্তৃপক্ষ ‘মেজর ইনসিডেন্ট’ বা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
/anm-bengali/media/media_files/2025/04/01/1000179378-378584.jpg)
উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ থেকে ইউনাইট (Unite) ইউনিয়নের সদস্যরা পূর্ণমাত্রার ধর্মঘটে রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বেতন পুনর্গঠনের ফলে অনেক কর্মীর বার্ষিক আয় ৮,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এর প্রতিবাদে তারা কাজ বন্ধ রেখেছেন।
বার্মিংহাম সিটি কাউন্সিল বলেছে, এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি জরুরি হয়ে উঠেছে। পিকেটিং বা ধর্মঘটের বাধায় শহরের আবর্জনা সংগ্রহের ট্রাকগুলো স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে পারছেনা। জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে, এখন অতিরিক্ত ৩৫টি গাড়ি ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি, পাশের শহর ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার পথও খুলে গেল।
/anm-bengali/media/media_files/2025/04/01/1000179376-725320.jpg)
বার্মিংহামের কাউন্সিল প্রধান জন কটন বলেন, "আমি ধর্মঘটের অধিকারকে সম্মান করি, কিন্তু পিকেটিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শহরের পরিবেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।" স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জিম ম্যাকমাহন বলেছেন, "এই ধর্মঘট শহরের সবচেয়ে দরিদ্র ও অসহায় নাগরিকদের জন্য বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করেছে।" তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, "যেকোনো সমঝোতা অবশ্যই জনগণের করের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে।"
/anm-bengali/media/media_files/2025/04/01/1000179377-716642.jpg)
ইউনাইট ইউনিয়ন জানিয়েছে, তাদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করলে ধর্মঘট চলবে। তবে সিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, তারা আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চাইছে, যেখানে নির্ভরযোগ্য পরিষেবা নিশ্চিত করা হবে।