নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আরজি করের ঘটনায় সেমিনার হলে সেমিনার হলে উপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়,মেডিকেল কলেজের ভিতরেও থ্রেট কালচার আমদানি করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে এবার জামিন দিল আদালত। পুরনো একটি মামলায় জামিন পেলেন চিকিৎসক নেতা।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার বহরমপুরে মুখ্য বিচার বিভাগীয় বিচারকের এজলাসে বিরূপাক্ষ পুরনো একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন। সেই মামলায় বিচারক তাঁকে জামিন দিয়েছেন। চিকিৎক নেতার আইনজীবী অগ্নিস ঘোষ জানান, "২০২১ সালে জলঙ্গি থানায় ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় বিরুপাক্ষের মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় পুলিশ চার্জশিট দিয়েছে। শুক্রবার তাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন।"
প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার আবহে প্রবল বিতর্কের জেরে স্বাস্থ্য ভবন ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করেছে বিরূপাক্ষকে। তাঁর বিরুদ্ধে এতটাই বিরূপ প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে যে প্রাথমিকভাবে মনে করা হয় সেই চাপে বর্ধমান থেকে সরিয়ে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় স্বাস্থ্যভবন। ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজের অন্তর্গত কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতাল। কিন্তু এই বদলির নোটিস জারি হতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সেখানকার জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের সাফ দাবি ছিল, বিরূপাক্ষকে কোনও ভাবেই হাসপাতালে ঢুকতে দেবেন না তাঁরা। এরপরই স্বাস্থ্যভবন জানায়,সিনিয়র রেসিডেন্ট পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বিরূপাক্ষকে।