নিজস্ব সংবাদদাতা: বিরোধী দলনেত্রী থাকার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনকে হাতিয়ার করেছিলেন। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময়ে জাতীয় সড়কের ধারে টানা আন্দোলন করেছিলেন তিনি। তিনি টানা ২৬ দিন অনশন করেন মেট্রো চ্যানেলের কাছে। অন্যদিকে, ১০ দফা দাবি নিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকরা ১৭দিন অনশন করছেন। তাঁদেরকেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ২৬ দিন অনশন করার কথা স্মরণ করালেন।
জুনিয়র ডাক্তারদের অনশন তোলার আহ্বান জানিয়ে, ফের একবার নিজের অনশন-আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'আন্দোলন, অনশন করতেই পারো। এটা তোমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। আমি কিন্তু ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। কিন্তু আমার কাছে কোনও সরকারি আধিকারিক আসেননি। কিন্তু আমি নিজে তোমাদের ধরনায় ছুটে গেছি। মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে কিন্তু আমি তোমাদের ধর্নামঞ্চে পাঠিয়েছিলাম। আমি প্রতিদিন খোঁজ নিয়েছি কে কেমন আছে?
নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক হয়। বৈঠকের পর জুনিয়র চিকিৎসকরা নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসেছেন। তারপরেই নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন। অনশন তোলা হবে কি না, তখনই বলবেন। অন্যদিকে, জুনিয়র চিকিৎসকরা অনশন তোলা না হলে সারা রাজ্য ব্যাপী চিকিৎসকরা ধর্মঘটে যাবেন। তার জেরে সারা রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবা ভেঙে পড়তে পারে।