নিজস্ব সংবাদদাতা : এবার ইউরোপের দেশগুলোর জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বুধবার থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোর পণ্যগুলোর উপর বড় ধরনের ট্যারিফ আরোপ করতে যাচ্ছেন। এই সিদ্ধান্তটি ট্রাম্পের বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে।
/anm-bengali/media/media_files/2025/02/19/P1gUwlvavgWOaZqdrSmK.jpg)
ট্রাম্প ২রা এপ্রিল তারিখকে ‘লিবারেশন ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, যে দেশগুলো আমেরিকান পণ্যের উপর ট্যারিফ আরোপ করবে, তাদের বিরুদ্ধে ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ বা পাল্টা ট্যারিফ চালু করবেন। অর্থাৎ, সেইসব দেশকে তাদের পণ্যের ওপর ট্যারিফের সমান পরিমাণ ট্যারিফ আরোপ করতে হবে।
এই বিষয়টি নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের প্রতিক্রিয়া এসেছে:
ক্রিস্টিন লাগার্ড, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই ট্যারিফের ফলে ইউরোপের দেশগুলো নিজেদের আত্মনির্ভরশীল হতে বাধ্য হবে, বিশেষত তাদের প্রতিরক্ষা এবং শক্তির সরবরাহে।
অলাফ শোলজ, জার্মান চ্যান্সেলর জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন একসঙ্গে দাঁড়িয়ে এই ট্যারিফের মোকাবিলা করবে।
কির স্টারমার, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী, জানিয়েছেন, তারা পুরোপুরি প্রস্তুত এবং ট্যারিফ এড়ানোর জন্য ইউএসের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া চলবে।