এএনএম নিউজ ডেস্ক: ১৯২০ সালে দুইজন জার্মান বিজ্ঞানী আশেইম ও জোনদেক মত দেন যে, গর্ভবতী নারীদের মূত্রে এমন একটি হরমোন আছে যা কিনা খরগোশের গর্ভাশয় এর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। এই হরমোনটি আসলে HCG (হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন), হিউম্যান প্রেগনেন্সি কিটে যার মাধ্যমে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা হয়।

এটি পদ্ধতিটি কাজ করে এভাবে- এক সিরিঞ্জ মূত্র একটি খরগোসের শরীরে প্রথমে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে পুশ করানো হতো। এর ৫ দিন পর একে মেরে ফেলে দেখা হত এর ডিম্বাশয়ের বৃদ্ধি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিনা। এই পদ্ধতিতে ইঁদুরও পরীক্ষা করা হত এবং একইরকম ফল পাওয়া যেত। পরে অবশ্য বিজ্ঞানীরা ব্যাঙ ব্যবহার করতেন। ব্যাঙ এর ক্ষেত্রে সুবিধা ছিল যে ব্যাঙকে মেরে ফেলতে হত না। একজন নারী গর্ভবতী হোলে তার মূত্র ব্যাঙের শরীরে প্রবেশ করানোর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ব্যাঙটি ডিম দিত।