মুকেশ এই শর্তেই বিয়ে করেছিলেন নীতা আম্বানিকে! জানলে আপনিও চমকে যাবেন..

0

এএনএম নিউজ ডেস্ক : ভারতের সব থেকে ধনী পরিবারের বউ নীতা আম্বানী অনেক সময়েই নানা কারণে আলোচনায় এসে থাকেন। মজার বিষয় হল মুকেশ আম্বানি আর নীতা আম্বানীর বিয়ের ব্যাপারটা এখন আলোচনায়। এই দু’জনের বিয়েতে ছিল বিশেষ একটি শর্ত। যা হয়তো আপনারা অনেকেই জানেন না। আসুন আজ আমরা সেই বিশেষ একটি শর্ত জেনে নেই।

ধিরুভাই আম্বানী একটি অনুষ্ঠানে এই নীতা আম্বানীকে দেখে তাকে নিজের বাড়ির বড় ছেলের বউ বানাতে চায়। আসলে ব্যাপারটা হল, সেই সময় নীতা আম্বানির বাবা বিরলা গ্রুপে চাকরি করতেন, এবং তখন সেখানে একটি অনুষ্ঠান হয় যেখানে নীতা আম্বানি ভরট নাট্যাম নেচে ছিলেন।

সেই অনুষ্ঠানে নীতা আম্বানির নাচ দেখে তাঁকে খুব পছন্দ হয় ধিরু ভাই আম্বানীর। আর তখনই নীতাকে নিজের বড় ছেলের বউ করার কথা ভাবেন ধীরুভাই। তখন ধীরু ভাই তখন নীতা আম্বানির বাড়ির লোকের সাথে ফোনে কথা বলেন।

ধিরুভাই আম্বানী নীতা আম্বানীর বাড়িতে ফোন করলে নীতা আম্বানি ফোনটি তোলেন, তখন ধীরুভাই আম্বানি নীতিকে নিজের পরিচয় দেন, নীতা আম্বানী তখন তাঁর কথা বিশ্বাস না করে তিনিও মজা করে তাঁকে বলেন আমি এলিজাবেথ বলছি।

কারণ তখন তিনি ভবেছিলেন কেউ হয়তো তাঁর সাথে রসিকতা করছে, তাই তিনি তখন ফোন কেটে দেন, ধীরুভাই আম্বানি ফের ফোন করলে তখন নীতা আম্বানির বাবা ফোন তোলেন এবং তিনি ধীরুভাই আম্বানির গলার ভয়েস বুঝতে পারেন।

ধীরুভাই আম্বানির পুরো কথা শোনার পর নীতা আম্বানির বাবা নীতাকে অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ধিরু ভাই আম্বানীর সাথে দেখা করার জন্যে রাজি করান।

ধীরু ভাই নীতা আম্বানির বাড়ির লোকের সামনে এই বিয়ের প্রস্তাব রাখেন। তারপর যখন নীতা আম্বানি মুকেশের বাড়িতে যায়, তখন একদিন মুকেশ আম্বানী দরজা খোলে আর সে তাকে চিনতে পেরে যায়। আর তাঁর পর তাঁরা নিজেদের সম্পর্ককে এগিয়ে যেতে থাকে।

এই দেখা হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই মুকেশ আর নীতা একসাথে ডেটে যাওয়া শুরু করেন। আর তারপর তাঁর কাছে বিয়ের প্রস্তাব রাখা হলে সে জানায় সে একটা শর্তেই মুকেশকে বিয়ে করতে পারবে। আর তাঁর সেই শর্ত ছিল বিয়ের পর সে নিজে স্বাধীন ভাবে থাকবে।

একজন সাধারণ মানুষের মতোই সে নিজের কাজ করবে। আসলে নীতা আম্বানী ৮০০ টকা বেতনে একটি স্কুলে বাচ্চা দের পড়াতেন। আর তাঁর বাচ্চাদের পড়ানোর খুব সখ ছিল তাই সে এরকম একটি শর্ত রেখেছিল। আর তাতেই মুকেশ আম্বানী রাজি হয়ে যায়। আর তাঁরা এই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকে।