এএনএম নিউজ ডেস্ক: বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ৪০ জনের মতো মানুষের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিলো, পরীক্ষা করতে গিয়ে যারা গনোরিয়াতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে যখন জানা গেলো যে, বানরও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে, তখন থেকে মানুষের উপর এ রোগের পরীক্ষানিরীক্ষার হার কমতে শুরু করে।

বিভিন্নভাবেই একজন মানুষকে গনোরিয়ার জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত করা হতো। এর মাঝে একটি পদ্ধতি ছিলো কাঠির প্রান্তে গনোরিয়ার জীবাণু লাগিয়ে তা একজন ব্যক্তির চোখে ঘষে দেয়া। ১৮৯৫ সালে ডাক্তার হেনরি হেইম্যান মানসিক ভারসাম্য হারানো দুটি ছেলে এবং যক্ষার চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকা এক ব্যক্তির উপর গনোরিয়া নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। অবশ্যই এগুলো হয়েছিলো আক্রান্তদের অজান্তে।