বনমালী সন্নিগ্রাহী, বাঁকুড়া: ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষ বাঁকুড়ায়। বিজেপি কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাত্রসায়র থানার নারায়ণপুর গ্রামের ঘটনা। সোমবার নারায়ণপুর বাজারে বিজেপির দলীয় কর্মী সমর্থকরা দলীয় পতাকা ও ফেস্টুন লাগানোর সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা তাদের মারধোর করে বলে বিজেপি’র অভিযোগ।আহতদের মধ্যে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুকুমার জৌলিক নামে এক বিজেপি কর্মী বলেন, আমরা সকাল থেকেই নারায়ণপুর এলাকায় বিজেপির পতাকা ফেস্টুন লাগাচ্ছিলাম। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতা প্রশান্ত শালের নেতৃত্বে দুষ্কৃতি বাহিনী এসে আমাদের উপর আক্রমণ করে। তাঁর আরো অভিযোগ,
পুলিশের উপস্থিতিতে এই আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরো বলেন, বিজেপি করা চলবেনা বলেও তৃণমূল দুষ্কৃতিরা তাদের হুমকি দিয়েছে। এই ঘটনায় মোট দশ জন আহত বলে দাবী।
এই ঘটনা সম্পর্কে বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি স্বপন ঘোষ বলেন, বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ এর স্ত্রী সুজাতা খাঁকে নিয়ে জয়রামবাটি মাতৃমন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলাম। সেখানে থাকাকালিন ঘটনার খবর পাই। তাদের দলের এক কর্মীর পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে দাবী করে স্বপন ঘোষ বলেন, তৃণমূলে হয়ে পুলিশ কাজ করছে। গোষ্ঠী দ্বন্দে জর্জরিত তৃণমূলের পাশে এখন কেউ নেই, পুলিশ ‘দলদাসে’ পরিণত হয়ে তৃণমূলের পক্ষে কাজ করছে বলে তার অভিযোগ। লোকসভা নির্বাচন ‘প্রহসনে’ পরিণত করার চেষ্টা হচ্ছে অভিযোগ তুলে তিনি আরো বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবেন। তবে এবিষয়ে অভিযুক্ত নারায়ণপুর অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি প্রশান্ত শাল সরাসরি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সসম্পুর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। মানুষ উন্নয়ন ছাড়া কিছু বোঝেনা। বিজেপি নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী দ্বন্দের কারণে মারামারি করে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। তাঁর দাবী, তৃণমূল এই ঘটনায় জড়িত নয়।