NASA -র অঙ্ককে ফুঁয়ে উড়িয়েছিলেন বজরঙ্গবলী! দেখে নিন সেই আশ্চর্য হিসেব

0
35

এএনএম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ নিয়ে যে কোনও প্রশ্নেই যার কথা সর্বাগ্রে মনে আসে, সে হলো নাসা। মার্কিন দেশের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সংস্থা, পুরো নাম ‘দ্য ন্যাশনাল এরোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’।

মহাশূন্যে কখন কী ঘটছে বা ঘটবে, পৃথিবীর নিরিখে সে সব নানা তথ্য নাসার কাছে উপলব্ধ থাকে। বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে নাসা বিস্তর অসাধ্য সাধনও করেছে মহাকাশ বিজ্ঞানের জগতে।

কিন্তু, এই বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রয়োগের অনেক আগেই মহাকাশ সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য হিন্দু শাস্ত্রে উল্লেখিত হয়েছে, যা সত্যই অবাক করার মতো। যেমন, ‘হনুমান চালিশা’-র একটি শ্লোক—

যুগ সহস্ত্র যোজন পর ভানু!
লেলিয়ো তাহি মধুর ফল জানু!!

১ যুগ = ১২০০০ বছর
১ সহস্ত্র = ১০০০
১ যোজন = ৮ মাইল

যুগ x সহস্ত্র x যোজন = ভানু (সূর্য)
অর্থাৎ,
১২০০০ x ১০০০ x ৮ মাইল = ৯৬,০০০,০০০ মাইল

অন্য দিকে,
১ মাইল = ১.৬ কিলোমিটার
৯৬,০০০,০০০ মাইল = ১,৫৩৬,০০০,০০০ কিলোমিটার

পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব এ ভাবেই গণনা করা হয়েছিল বৈদিক যুগে। পরবর্তীকালে, নাসা যে সংখ্যা প্রকাশ করে, তা ‘হনুমান চালিশা’র সঙ্গে না মিললেও, তার কাছাকাছিই।

সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবী সময় নেয় ৩৬৫.৩ দিন। এবং এই সময়ের মধ্যে একবার সূর্যের সব থেকে কাছে চলে আসে, এবং একবার সব থেকে দূরে চলে যায়। সব মিলিয়ে, নাসাও স্বাকীর করে নিয়েছে যে, ‘হনুমান চালিশা’য় উল্লেখিত সংখ্যাটি কোনও ভাবেই ভুল নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here