এএনএম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীর এ সময়টায় জিম্বাবুয়ের নগদ অর্থস্বল্পতা যেন ওই দেশের নাগরিকদের আশীর্বাদ হিসেবে দেখা দিয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি লেনদেন ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় হওয়ায় অন্তত কাগুজে মুদ্রায় করোনাভাইরাস ছড়ানো হচ্ছে না। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পর বেশির ভাগ লেনদেন ডিজিটাল মাধ্যমে হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রা ও স্থানীয় মুদ্রা বাজারে একেবারে নেই হয়ে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত দেশটির জ্বালানি থেকে খাদ্য-নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতে সমস্যা হতে পারে, সে আশঙ্কায় জাতীয়ভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে জিম্বাবুয়ে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মাত্র দুজনের কভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।

নগদ অর্থ ছাড়া যেভাবে জিম্বাবুয়ের বাজার চলছে, এটা যে দেশটির জন্য আশীর্বাদ হিসেবে দেখা দিয়েছে, সেদিকে ইঙ্গিত করে অ্যাডি ক্রস নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মানিটারি পলিসি কমিটির এক সদস্য বলেন, এটা বেশ সুবিধার একটি ব্যাপার। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর জন মানগুদায়া গত সপ্তাহে ঋণদাতাদের প্রতি আহ্বান রাখেন, যেন তারা ডিজিটাল ব্যাংকিং প্লাটফর্মগুলোয় নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে থাকেন।

জিম্বাবুয়েতে সর্বাধিক ব্যবহূত ডিজিটাল প্লাটফর্ম হচ্ছে ইকোক্যাশ। ক্যাসাভা স্মার্টটেক জিম্বাবুয়ে লিমিটেডের মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে প্রতিদিন ৭০ লাখ লেনদেন সম্পন্ন হয়।

চলতি মাসের শুরুতে এশিয়া থেকে যাওয়া ডলার নোট ১০ দিনের কোয়ারেন্টিনে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ। সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) কর্তৃক করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানো পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছিল ফেড।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here